কলেজ বিধান


ভর্তির যোগ্যতা:

এইচ,এস,সি/এস,এস,সি (ভোকেশনাল)/দাখিল/সমমান পরীক্ষায় পাশ হতে হবে। জিপিএ-২.৫ অংকে জিপিএ-২.০/40% প্রাপ্তরা ভর্তির যোগ্য। যে কোন সনের ও বয়সের উল্লেখিত পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তি হতে পারবে।

কম্পিউটার:

কম্পিউটার বিষয়ে উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পরিচালিত এবং কলেজে অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ দ্বারা হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়।

লাইব্রেরী:

সংশ্লিষ্ট বিষয় সমূহের পর্যাপ্ত সংখ্যক বইপত্র লাইব্রেরীতে রয়েছে। কলেজের নিয়মানুযায়ী বইপত্রাদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

পরীক্ষা পদ্ধতি:

কলেজের নিজস্ব ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের নিয়মানুযায়ী পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

শিক্ষা সফর:

সফরগুলো শিক্ষা ও শিল্প বিষয়ক, এতে শিল্প, ঐতিহাসিক, ভৌগলিক, বৈজ্ঞানিক বিষয় থাকছে।

চাকুরীর সম্ভাবনা:

ব্যবস্থাপনা কমিটির অধিকাংশ সদস্যই বস্ত্র শিল্পের সাথে জড়িত। তাছাড়া কমিটির সদস্যগণও বিভিন্ন টেক্সটাইল বিষয়ক শিল্পের সাথে সু-পরিচিত, সেহেতু নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্থানে পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের চাকুরীর ব্যাপারে বিশেষ সহায়তা দিয়ে থাকেন।

উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ:

“ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং” কোর্স পাশ করার পর ডুয়েট, বি.আই.টি. টাংগাইল, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বিিএসসি-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ (৪৮ মাসের পরিবর্তে ২৭ থেকে ৩০ মাস স্থায়িত্ব) ভর্তির সুযোগ আছে। এছাড়াও এই কলেজ থেকে পাশ করা ছাত্র বিদেশে পড়ার সুযোগও পেয়ে থাকে।

স্বাস্থ্য:

এ কলেজে নিয়মিতভাবে লেখাপড়া করা অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেস নজর দেয়া হয়। কলেজটির দক্ষিন পার্শ্বেই রয়েছে মেট্রোপলিটন হাসপাতাল। অল্প খরচে হাসপাতালে …. উপদেশ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

বিধি-বিধান:

কলেজটিতে লেখা-পড়া করা অবস্থায় প্রতি ছাত্র-ছাত্রী …… আইন কানুন ও কলেজের নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। ক্লাসের হাজিরা অবশ্যেই ….. থাকতে হবে। অন্যথায়……. করতে পারবে না।

সনদপত্র:

সংশ্লিষ্ট কোর্স পাশ করার পর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদপত্র প্রদান করে থাকে।